বিশ্বায়নের মাঝে স্বাস্থ্যকর ডিজিটাল পুষ্টির যোগ্যতা
বর্তমানে করোনা আবহের জেরে সমগ্র দেশ আজ ডিজিটাল ব্যবস্থাতেই চলছে। তাই বলাই যায়, ডিজিটাল সিস্টেমে সমস্ত কিছু হচ্ছে। পড়াশুনো থেকে শুরু করে পুষ্টি - সবই Digital Platform এর দ্বারা আজ পরিচালিত। তাই বর্তমান প্রযুক্তির যুগে Digital Nutrition - শব্দটি অনেকটাই প্রাসঙ্গিক । তা বলা বাহুল্য।
ডিজিটাজ পুষ্টি কি?
প্রতিনিয়ম ডিজিটাল জগতের মাঝে নিজেরা ক্রমশই বিচরণ করছি। তার ফলে আমাদের মানসিক এবং শারীরিক - উভয় ক্ষেত্রেই এই ডিজিটালাইজেশন ব্যাপারটি প্রভাব সৃষ্টি করে তা বলাই যায়। তার ফলে এর মাঝে আমাদের মানসিক চিন্তাধারার উন্নতি এবং শারীরিক স্বাস্থ্যের উন্নতির ক্ষেত্রে এই Digital Platform এ নিজেদের বিচরণ করাকে নিয়ন্ত্রণ করাকেই বলা হয় ডিজিটাল পুষ্টি।
ডিজিটাল পুষ্টি কতটা প্রয়োজন?
বর্তমান সমাজ ডিজিটাল মাধ্যম দ্বারাই পরিচালিত। সমস্ত কিছুই আজ ডিজিটাল পদ্বতি দ্বারাই হচ্ছে। ঘরে বসে দুনিয়া হাতের মুঠোয় আনা সম্ভব ডিজিটালাইজেশনের জন্যেই। তাই আজ ডিজিটাল পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা অনেক তা বলা যায়।
দিনের অধিকাংশ সময় ডিজিটাল পদ্বতি দ্বারা পরিচালিত হওয়ার ফলে মানব শরীরে নানা সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। আজ হাতে হাতে মোবাইল বা চোখ জুড়ে ল্যাপটপের স্ক্রিন থাকায় পরিবারের সাথে কথা বলার মনোভাব হারিয়ে যাচ্ছে। নতুন নতুন কিছু হাতে কলমে বানাতে বা ভাবার অবকাশ মিলছে না ডিজিটালাইজেশনের ফলে। মানুষ একাত্ব বোধ করছে। সমাজ থেকে নিজেদের একপ্রকার গুটিয়ে ফেলছে ।
এই সমস্ত পরিস্থিতি থেকে নিজেদের প্রাণোচ্ছল রাখতে, নিজের ভাবার ক্ষমতাগুলো আবার জাগিয়ে তুলতে ডিজিটাল পুষ্টির যথেষ্ট প্রয়োজন রয়েছে।
ডিজিটাল পুষ্টি স্বাস্থ্যকর রাখার পদ্বতিঃ
সারাদিন কতক্ষণ ডিজিটাল জগতের মধ্যে নিজেদের সময় ব্যয় করা উচিত। কিভাবে নিজেদের ডিজিটাল জগতের মাঝে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে তার জন্যে সঠিক ভাবে ডিজিটাল পুষ্টি স্বাস্থ্যকর ভাবে ব্যবহার করা প্রয়োজন।
ডিজিটাল পুষ্টির ফলে আপনার চিন্তাধারা কোন দিকে যাচ্ছে। মানসিক অবস্থার কতটা পরিবর্তন হচ্ছে - সেই সমস্ত বিষয়ে আমাদের নজর রাখার প্রয়োজন। তাই ডিজিটাল পুষ্টির ফলে কোনো রকম খারাপ মনোভাব তৈরি করছে কি না সেই বিষয়ে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন।
ডিজিটাল পুষ্টি কিভাবে উৎপত্তি হয়েছে?
২০১৩ সালে বিখ্যাত মনোবিজ্ঞানী জোসেলিন ব্রিউয়ার ডিজিটাল পুষ্টি এই ধারণার প্রবর্তন করেন। তিনি এই ধারণার প্রয়োজনীয়তা এবং এর খারাপ প্রভাব উভয় দিক নিয়েই ডিজিটাল পুষ্টিতে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
তবে এই শব্দটি বহুল না ব্যবহার করার ফলে বহু মানুষের কাছে এই শব্দটি সম্পর্কে সঠিক ধারণা নেই। অনেকের কাছেই এটি অজানা একটি ধারণা।
আমরা সাম্প্রতিক কালে হামেশাই এই শব্দটির সাথে যুক্ত হই। টানা লকডাউনের ফলে যেমন ভাবে মানুষকে সমাজ থেকে করোনা সংক্রমণের ফলে আলাদা হয়ে থাকতে হয়েছিল। তখন একমাত্র মাধ্যম হিসেবে ছিল ডিজিটাল জগত। এক মুহুর্তের মধ্যে Digital System এর ফলে অসংখ্য মানুষের কাছে পৌঁছনোর মাধ্যম । তাই নিজেদের সুস্থ রাখতে, ঠিকমত পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রয়োজন স্বাস্থ্যকর ডিজিটাল পুষ্টির।
ডিজিটাল পুষ্টির গুরুত্বপূর্ণতা
জেডিজিটাল নিউট্রিশন আধুনিক জীবনযাত্রার জন্য ব্যবহারিক অর্থ তৈরি করে। এটা মা-বাবা, ছাত্র, শিক্ষাবিদ - অথবা যে কোন মানুষের জন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদের ডিজিটাল অভ্যাস কিভাবে আমাদের মস্তিষ্ক এবং আচরণ তৈরি করছে। এর প্রয়োজনীয়তা বাস্তব জীবনে প্রয়োজন অপরিহার্য।



Comments
Post a Comment