Posts

Showing posts from 2020

অশিক্ষিত বাচ্চারাই সচেতন সমাজ গড়ার হাতিয়ার

Image
  ছবি সংগ্রহেঃ Breaking Bangla সৃঞ্চিণী পোদ্দার, কলকাতাঃ পেটের দায়ে কলমের বদলে হাতে নিতে হলো কাঠামো।  ও সচেতন সমাজকে সচেতন ও তার বার্তা দিতে প্রতিমা বিসর্জনের শেষে জলাশয় ভর্তি করে ফেলে রাখা প্রতিমার কাঠামো গুলো জল থেকে তুলে ঘাট পরিষ্কার করে বছর ১০- ১২ এর এই বালকেরা। তাদের শিশুই বলা যায়। তারাও অধিকার রাখে পড়াশুনা করার। তাদেরও যোগ্যতা রয়েছে বিদ্যালয় দরজা পেরোনোর।  তবে ভাগ্যের কি ফের বলুন? অর্থের অভাবে তারা বিসর্জন পর্ব শেষ হলে পরের দিন সকাল থেকে ঘাটে ঘাটে ঘুরে প্রতিমার কাঠামো তুলে ঘাট পরিষ্কার করে।  তাদের অধিকার থাকে সমাজ গড়ার। তাদের অধিকার থাকে নতুন প্রজন্মকে গড়ে আরো সুন্দর করে তোলার। তবে পরিস্থিতির চাপে পড়ে তাদের জীবনযাত্রা বদলে যায়। তার ফলেই এই চিত্র।  একদিকে বলা যায় যে, তারা কিন্তু সমাজ গড়ে তুলছে।  অসচেতন সমাজকে সচেতন সমাজে পরিণত করছে। জল দূষণ রোধ করছে। প্রতিমা বিসর্জনের আগে ঘাটে ঘাটে থাকে স্থানীয় পৌরসভার নির্দেশাবলী। উল্লেখ থাকে জলে পুজোর উপকরণ না ফেলার কথা। কিন্তু নির্দেশ থাকেনা বিসর্জনের পরের দিন জল থেকে কাঠামোগুলো তুলে জল পরিষ্কার রাখার ...

মেলা থেকে টেরাকোটা শিল্পীদের স্থান হয়েছে রাস্তায়

Image
সৃঞ্চিনী পোদ্দার, কৃষ্ণনগরঃ  প্রতি বছর জাকজমকভাবে কলকাতা জুড়ে দুর্গাপূজো অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজঙ্করা হয় মেলা । সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের । তবে সরকারি নির্দেশে এবছর সেই সমস্ত কিছুই থাকছে বন্ধ। করোনা প্রকোপের জেরে ভিড় ঠেকাতে রাজ্যের কোথাও পূজো উপলক্ষ্যে কোনো রকম মেলা বা জমায়েত করানো যাবে না। তার জেরে চরম হতাশায় শিল্পীরা।  আজ করোনা আবহের জেরে শিল্পীরা স্থান পেয়েছে রাস্তায় আর তাদের শিল্পকর্ম অট্টালিকায়। টানা ৯ মাস পর পেটের দায়ে পরিবার বাঁচাতে একপ্রকার বাধ্য হয়ে কৃষ্ণনগরে জাতীয় সড়কের পাশে টেরাকোটার কাজ নিয়ে বসলেন শিল্পীরা। সেখানেই এখনও থাকছেন তারা। সেখানেই টেরাকোটার কাজে নিখুত হাতের ছোঁয়ায় মূর্তি গড়ছেন। ক্রেতা না থাকলেও বিক্রির আশায় ক্রেতার অপেক্ষায় টেরাকোটা শিল্পীরা।  কারোর বাড়ি দত্তপুকুর। আবার কেউ থাকেন বারুইপুর। গ্রামে রয়েছে নিজেদের পরিবার। পথ চেয়ে তারাও। অথচ এত ভাড়া দিয়ে বাড়ি ফেরার পরিস্থিতিতেও নেই আজ কৃষ্ণনগরে আটকে থাকা টেরাকোটা শিল্পীরা। প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তার ধারে মূর্তি তৈরি করে বিক্রি করতে বসে গেছেন তারা। কৃষ্ণনগর জাতীয় সড়কের ধার দিয়ে এমন ভাবে অনেক টেরাকোটা শিল্পীরাই বসেছ...

বিশ্বায়নের মাঝে স্বাস্থ্যকর ডিজিটাল পুষ্টির যোগ্যতা

Image
 বর্তমানে করোনা আবহের জেরে সমগ্র দেশ আজ ডিজিটাল ব্যবস্থাতেই চলছে। তাই বলাই যায়, ডিজিটাল সিস্টেমে সমস্ত কিছু হচ্ছে। পড়াশুনো থেকে শুরু করে পুষ্টি - সবই Digital Platform এর দ্বারা আজ পরিচালিত। তাই বর্তমান প্রযুক্তির যুগে Digital Nutrition - শব্দটি অনেকটাই প্রাসঙ্গিক । তা বলা বাহুল্য। ডিজিটাজ পুষ্টি কি? প্রতিনিয়ম ডিজিটাল জগতের মাঝে নিজেরা ক্রমশই বিচরণ করছি। তার ফলে আমাদের মানসিক এবং শারীরিক - উভয় ক্ষেত্রেই এই ডিজিটালাইজেশন ব্যাপারটি প্রভাব সৃষ্টি করে তা বলাই যায়। তার ফলে এর মাঝে আমাদের মানসিক চিন্তাধারার উন্নতি এবং শারীরিক স্বাস্থ্যের উন্নতির ক্ষেত্রে এই Digital Platform এ নিজেদের বিচরণ করাকে নিয়ন্ত্রণ করাকেই বলা হয় ডিজিটাল পুষ্টি।  ডিজিটাল পুষ্টি কতটা প্রয়োজন? বর্তমান সমাজ ডিজিটাল মাধ্যম দ্বারাই পরিচালিত। সমস্ত কিছুই আজ ডিজিটাল পদ্বতি দ্বারাই হচ্ছে। ঘরে বসে দুনিয়া হাতের মুঠোয় আনা সম্ভব ডিজিটালাইজেশনের জন্যেই। তাই আজ ডিজিটাল পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা অনেক তা বলা যায়। দিনের অধিকাংশ সময় ডিজিটাল পদ্বতি দ্বারা পরিচালিত হওয়ার ফলে মানব শরীরে নানা সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। আজ হাতে হাত...

সুরক্ষার সম্ভার মহানগরীর বুকে

Image
আমার শহর কলকাতা। ১০৯ বছর আগে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল কলকাতা। পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ শহর এই মহানগর। সতেরোশো শতাব্দীর শেষভাগে কলিকাতা, সুতানুটি এবং গোবিন্দপুর - এই তিন গ্রাম নিয়ে গড়ে ওঠে কলকাতা। জন্মের সময়ে কলিকাতা নামে উৎপত্তি হলেও বর্তমানে কলকাতা নামকরণে ভূষিত এই শহর। মহানগরের পথ ঘাট যথেষ্ট সুরক্ষিত অন্যান্য শহরের ক্ষেত্রে । কলকাতায় রয়েছে সেফ ড্রাইভ,সেফ লাইফ প্রকল্পের মত ডেটলাইন। রাস্তার মোড়ে মোড়ে আজ বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। সকাল থেকে রাত যেকোনো সময় সুরক্ষা দিতে চালু রয়েছে ১০০ ট্রোল ফ্রি নম্বর। ট্রামে, বাসে, ট্রেনে কিংবা মেট্রোয় মহিলাদের জন্যে রয়েছে ladies compartment।  আমার শহর কলকাতা। কলকাতার পথে যে কোন সময় হাঁটতে আজ আর বেগ পেতে হয় না মহিলাদের। অপরিচিত শহরের পথে নির্দিধায় চলতে পাশে দাঁড়ান ট্রাফিক সার্জেন্টরা। কখনও মহিলা সুরক্ষায় পিছিয়ে নেই কলকাতা আজ।  প্রশাসনের সাথে সরাসরি যোগসাযোষ রাখতে কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে ফেসবুক পেজ তৈরি করা হয়েছে। সেখানে প্রতি মুহূর্তে পাওয়া যায় Traffic Updates। যখনই প্রয়োজন হয় সময় নির্দিশেষ পাওয়া যায় online cab service। যাতায়াতে...

বেলুড় মঠে করোনা হামলা

Image
বেলুড় মঠে করোনার থাবা। করোনায় আক্রান্ত বেলুড় মঠের ৫৪ জন সন্ন্যাসী সহ ১৫ জন কর্মচারী। সূত্রের খবর, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে আনলক ১ থেকে রাজ্য জুড়ে চালু করা হয় লকডাউন। তারপর থেকেই রাজ্য সরকারের নির্দেশে বন্ধ হয়ে যায় বেলুড় মঠের দরজা। অনুমতি ছিল না বহিরাগতদের বেলুড় মঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে । তবে কি ভাবে করোনা সংক্রমিত হলেন বেলুড় মঠের সন্যাসী এবং কর্মচারীরা। এ বিষয়ে উদ্বেগ বাড়ছে ক্রমশ।  করোনা সংক্রমণের জেরে বিশ্ব ব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছিল। আস্তে আস্তে সুস্থতার হার বৃদ্ধিতে শিথিল হতে থাকে লকডাউনের নিয়মবিধি। দফায় দফায় আনলক পর্বের অবসাদ ঘটতে থাকে। তার ফলে সাধারণ মানুষ আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেন। রাজ্যের বিভিন্ন তীর্থস্থান ধাপে ধাপে খুলে দেওয়া হয়। তবে লকডাউন ঘোষণার প্রথম থেকেই বন্ধ ছিল বেলুড় মঠের দরজা। দর্শণার্থীদের জন্যে কোনো অনুমতি ছিলো না মঠে প্রবেশে। সুত্রের খবর, মঠের বাইরেও তেমন খুব একটা কেউ বেরোতেন না। মাঝে সাঝে কেনাকাটার জন্যে দু'একজন কর্মচারী মঠের বাইরে যাওয়া আসা করেছেন। তবুও কিভাবে এতজন একসঙ্গে করোনায় আক্রান্ত হলেন সেই বিষয়ে জল্পনা ক্রমশই বাড়ছে। প্রত্যেকেই মঠে আলাদাভাবে হোম...

করোনার গ্রাসে পূজানন্দ

Image
  করোনার গ্রাসে পূজানন্দ, নিরাসায় মৃৎশিল্পী  সৃঞ্চিনী পোদ্দারঃ   বাঙ্গালীর অন্যতম শ্রেষ্ট পূজো দূর্গাপূজো। আর দূর্গাপূজো মানেই কলকাতার দূর্গাপূজোর কথা। সাবেকিয়ানার সাথে থিমের লড়াই। আলোকসজ্জা থেকে মন্ডপের রূপসজ্জা। যার টানে দেশ বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কলকাতায় ছুটে আসা। বহু দেশী-বিদেশীদের সমাগম। তা করোনা ভাইরাসের জেরে বন্ধের জোগার প্রায়।  করোনা ভাইরাস। আমফান। একের পর এক ধাক্কা সহ্য করতে হয়েছে রাজ্যবাসীদের । নানা সঙ্কটের সন্মুখের পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। কেউ ঘর হারিয়েছে। কারোর কাছে আবার বেঁচে থাকার জন্যে নুন্যতম আহারের জোগানও নেই । এক প্রকার বড় অভাবের মুখে অতি সাধারণ পরিবার। বিভিন্ন সংস্থা, ক্লাব প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ফান্ডের টাকা থেকে সাধ্যমত পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন এই দুর্যোগের মধ্যে। আর তার পাশাপাশি করোনা সংক্রমণ ঠেকাতেও একপ্রকার স্থগিত রাখা হয়েছে এবছর কলকাতার জমজমাট দূর্গাপূজোর অনুষ্ঠান।  তাই এবছর কলকাতার অধিকাংশ দূর্গাপূজোর ক্লাবগুলো খুঁটি পূজোতেই দায় সেরে ফেলবে বলে জানিয়েছেন। নিরাসায় মৃৎশিল্পীরা। এবছর বায়না নেই বড় বাজেটের দূর্গাপ্রতিমা বানানোতেও।...